সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও বেড়েছে ডিম ও মুরগির দাম। সরবরাহ কম থাকায় বেশিরভাগ সবজির দামও কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তবে মাছের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে আসতে শুরু করছে মৌসুমি সবজি। তবে সরবরাহ কম থাকায় বেশিরভাগ সবজির দাম বেড়েছে। কাঁচা মরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, শশা ৬০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৫০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা, শিম ১৫০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা ও বেগুন ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে সবজির সরবরাহ তুলনামূলক কম থাকায় দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে মৌসুমি সবজির সরবরাহ আরও বাড়লে দামে পরিবর্তন আসতে পারে।
সবজির পাশাপাশি মাছের বাজারে অবশ্য বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। রুই মাছ ৩২০ টাকা, কাতলা ৩২০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, পাঙাস ২০০ টাকা এবং কৈ মাছ ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম স্থিতিশীল থাকলেও সপ্তাহের ব্যবধানে সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা এবং লেয়ার মুরগির দাম ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩১০ টাকা কেজি দরে। ব্রয়লার বা পোল্ট্রি মুরগি ১৮০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা বলছেন, মুরগির মধ্যে ব্রয়লারের দাম আগের মতো থাকলেও সোনালি ও লেয়ার মুরগির দাম বেড়েছে। কয়েক দিনের ব্যবধানে ক্রেতাদের বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে।
মুরগির পাশাপাশি বেড়েছে ডিমের দামও। সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনপ্রতি ডিমের দাম ৫ টাকা বেড়েছে। বাজারে লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা ডজন এবং সাদা ডিম ১৪০ টাকা ডজন।
ডিম কিনতে আসা ক্রেতারা বলছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের দামই বাড়তি। এর মধ্যে ডিম ও মুরগির দাম আবার বাড়ায় সংসারের বাজার সামলাতে তাদের বাড়তি খরচ হচ্ছে।
ক্রেতাদের অভিযোগ, মাছের দাম কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও ডিম, মুরগি ও সবজির দাম বাড়ায় সাপ্তাহিক বাজারের খরচ আবারও বেড়েছে। ফলে সীমিত আয়ের মানুষের জন্য বাজার করা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।







